পেখম রহস্য

image_print

অনিন্দিতা ভদ্র
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সাইন্স এডুকেশন এন্ড রিসার্চ, কলকাতা

বর্ষার গান মানেই মেঘের গুরু গুরু, অন্ধকার আকাশ, ভিজে মাটির গন্ধ, আর ময়ূরের অপরূপ পেখম নৃত্য। আমাদের জাতীয় পাখির সাজসজ্জায় মুগ্ধ হয় না এমন মানুষের সংখ্যা বিরল।

ছোটবেলায় আর সব বাচ্চাদের মতো আমিও ভাবতাম বুঝি সব ময়ূরই সুন্দর, সবার পেখম আছে, সবাই নাচে। কিন্তু যখন প্রথমবার একটা চিড়িয়াখানায় ময়ূর-ময়ূরী দেখলাম, কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারিনি যে দুটোই একই পাখি আসলে। আরো অবাক হয়েছিলাম এটা শুনে যে সুন্দর লেজওয়ালা পাখিগুলো ছেলে (পুরুষ) পাখি, আর খারাপ দেখতে পাখিগুলো মেয়ে!

পশুপাখীদের মধ্যে বেশীর ভাগ প্রজাতিতেই পুরুষরাই বেশী আকর্ষণীয়। প্রশ্ন হল, কেন এমন হয় ?

আরো বড়ো হলাম যখন, জানলাম যে অধিকাংশ পাখিদের মধ্যে পুরুষ পাখিরাই বেশী সুন্দর। যে সব পাখি গান গায়, তাদের মধ্যেও পুরুষরাই  সুরেলা। একটু চোখ মেলে চারিদিকে তাকালেই দেখা যাবে, পশুপাখীদের মধ্যে বেশীর ভাগ প্রজাতিতেই পুরুষরাই বেশী আকর্ষণীয়। ঝিঁঝিঁর ডাক থেকে শুরু করে কোকিলের গান, ময়ূরের পেখম থেকে হরিণের লম্বা, বাঁকানো শিং, সবই পুরুষজাতির অলংকার। এই সব প্রজাতিতে মহিলাদের সাজগোজের প্রয়োজন নেই। কিন্তু প্রশ্ন হল, কেন এমন হয়?

১৮৫৯ সালে চার্লস ডারউইন যখন তাঁর বিবর্তন তত্ত্ব প্রকাশ করেছিলেন, তাঁর ঐতিহাসিক রচনা, ‘দ্য অরিজিন অফ স্পিসিস’-এ তিনি লিখেছিলেন যে তাঁর তত্ত্ব খাটে না শুধু দুটি ক্ষেত্রে।

এক হলো মৌমাছি, পিঁপড়ে, বোলতা এই জাতীয় প্রাণী। এদের নিয়ে তিনি বিব্রত, কারণ জগতের নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিটি প্রাণী প্রজনন করে তার নিজের বংশ বৃদ্ধি করে, কিন্তু মৌমাছিরা তা করে না। হাজার হাজার মৌমাছি মিলে শুধু একজন রাণীর জন্য বেগার খাটে কোনো অজানা কারণে। কেন মৌমাছি, পিঁপড়ে, বোলতা বা উইপোকাদের এরকম অদ্ভুত সমাজব্যবস্থা গড়ে উঠেছে, তার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ করেছিলেন উইলিয়াম হ্যামিল্টন, ১৯৬৪-এ। কিন্তু এখন বলব অন্য গল্প, ডারউইন সাহেব যা শুরু করেছিলেন দেড়’শ বছর আগে। সেই গল্পের নায়ক হলো আমাদের জাতীয় পাখি, ময়ূর।

ডারউইন সাহেব তাঁর এইচ. এম. এস. বিগলের সফরে অনেক রঙবেরঙের পাখি দেখেছিলেন। পুরুষ পাখিদের সাজ, যা অনেক সময় একটু বাড়াবাড়ি রকমের বেশী হয়ে ওঠে, ডারউইনকে ভাবিয়ে তুলেছিল। রঙবেরঙের পালক দেখতে অপূর্ব তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু সেই রঙ তৈরী করতে খরচা আছে, আর তার রসদ আসে পাখির নিজের শরীর থেকেই। শুধু তো রঙ নয়, ময়ূরের পেখম অস্বাভাবিকরকম লম্বাও। আর তাই উড়তে পারে না ময়ূর, নেকড়ের তাড়া খেলে নিজেকে বাঁচাতেও পারে না। অথচ ময়ূরীকে দেখ, কোনো সাজ নেই, বাহার নেই, মাপেও ছোটখাটো। দিব্যি তো বেঁচে বর্তে রয়েছে তারাও।

এই ধরণের উদাহরণ অসংখ্য, বিশেষ করে পাখিদের মধ্যে। ডারউইন সাহেব এদের জন্য তৈরী করেছিলেন আরো একটি তত্ত্ব – থিওরি অফ সেক্সুয়াল সিলেকশন। তিনি বলেছিলেন, এই পাখিদের সাজ শুধুই প্রমিলাদের মুগ্ধ করতে, অর্থাৎ এর মূলেও রয়েছে সেই বংশ বিস্তারের প্রাকৃতিক তাড়না। শুধু তো নিজে সাজলেই চলবে না, দেখতে হবে যাতে সেই সাজ অন্য সবার সাজকে ছাপিয়ে যায়। তাই আরো, আরো উজ্জ্বল রঙ চাই, আরো লম্বা লেজ চাই, বা আরো সুরেলা, কঠিন গান চাই। এইভাবেই, নিজেদের মধ্যে সবসময় প্রতিযোগিতা চালিয়ে যায় পুরুষরা, আর সবথেকে সুন্দর পুরুষদের ভাগ্যে জোটে সবচেয়ে ভালো সঙ্গিনী – ভালো সঙ্গিনী মানে, যার প্রজনন ক্ষমতা বেশী। সুতরাং যে পুরুষ যত বেশী সুন্দর, তার বংশ বৃদ্ধিও হয় তত বেশী। অতএব, আবার সেই ন্যাচারাল সিলেকশন-এর খেলায় ময়ূরের পেখমের বাহার ছড়ায়। এই যুক্তির রেশ টেনে ডারউইন সাহেব বলেছিলেন, যে সব প্রজাতির স্ত্রীরা তাদের পুরুষ সঙ্গী নির্বাচন করবে, সেই সমস্ত প্রজাতির পুরুষদের মধ্যেই দেখা যাবে মনোহরণের আড়ম্বর।

ময়ূরের পেখম অস্বাভাবিকরকম লম্বা। আপাতদৃষ্টিতে শরীরের যে গঠনকে দেখে আমাদের মনে হয় প্রতিবন্ধকতা, তা আসলে ময়ূরের স্বাস্থ্য আর ক্ষমতার পরিচয়। (ছবির উৎস)

 

ডারউইনের এই দ্বিতীয় তত্ত্বটিকে অনেকেই উপেক্ষা করেছেন। কেউ কেউ খোলাখুলি এর বিরুদ্ধে যুক্তিও দিয়েছেন। ডারউইনের সেক্সুয়াল সিলেকশন তত্ত্বের সাথে ১৯৭৫ সাল থেকে জুড়ে গেছে আরো এক তর্কের সূত্র – জাহাভির হ্যান্ডিক্যাপ প্রিন্সিপল (প্রতিবন্ধকতা নীতি)। আমোত্স্ জাহাভি (Amotz Zahavi) একজন ইজরায়েলী বৈজ্ঞানিক। ময়ূরের পেখমকে ঘিরে যে প্রবল মতবিরোধ চলে আসছিল বহু বছর ধরে, জাহাভি তাতে যোগ করেন আর একটি দিক। তিনি বলেন যে ময়ূরের পেখম নেকড়ের হাত থেকে বাঁচার পথে প্রতিকূল বলে তা প্রতিবন্ধকতা ঠিকই, কিন্তু যে পাখি সেই প্রতিবন্ধকতা নিয়েও বেঁচে থাকতে সক্ষম, সে অবশ্যই ময়ূরীদের কাছে সবচেয়ে বেশী গ্রহণযোগ্য। সুতরাং, আপাতদৃষ্টিতে শরীরের যে গঠনকে দেখে আমাদের মনে হয় প্রতিবন্ধকতা, তা আসলে ময়ূরের অনেস্ট সিগনাল, যা তার স্বাস্থ্য আর ক্ষমতার পরিচয়। ময়ূরের পেখমের বাহার স্বয়ম্বরা ময়ূরীদের কাছে পাত্র হিসেবে তার যোগ্যতার অকপট সংকেত পৌঁছে দেয়। সুতরাং, এই প্রতিবন্ধকতাকে ন্যাচারাল সিলেকশন জিইয়ে রাখে, আরো মেজে ঘসে সুডৌল করে তোলে। জাহাভির প্রতিবন্ধকতা নীতি বৈজ্ঞানিক মহলে যথেষ্ট আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল। বলাই বাহুল্য যে এরকম একটা সুন্দর গোল গল্প অনেকেই মেনে নিতে রাজী হননি। কিন্তু পশুজগতে এই নীতি আদৌ সত্যি কিনা, তা কেউ যাচাই করে দেখেননি দুই দশক ধরে।

পেখমের মধ্যে শুধু ময়ূরীরা রঙের বাহারই খোঁজে না, তার সাথে খোঁজে সমতা।

১৯৭৫-এ যে বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল জাহাভির জার্নাল অফ থিওরেটিকাল বায়োলজিতে ছাপানো বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ দিয়ে, ১৯৯১ সালে এনিম্যাল বিহেভিয়ার-কে পাঠানো মারিয়ন পেট্রির একটি কাজ তার মিমাংসার পথে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বৈজ্ঞানিক মহলে প্রকাশ পেল। লন্ডনে বসে একদল ময়ূর-ময়ূরীর ওপর গবেষণা চালাচ্ছিলেন পেট্রি ও তাঁর সহকর্মীরা। ১৯৯১ থেকে শুরু করে ১৯৯৬ পর্যন্ত পর পর কয়েকটি পেপার ছাপা হয় এই গবেষক দলটির। তাঁরা প্রমাণ করেন যে সবচেয়ে লম্বা আর বাহারে পেখম যে ময়ূরদের, তাদেরকেই পছন্দ করে ময়ূরীরা। আরো জানা যায় যে পেখমের মধ্যে শুধু ময়ূরীরা রঙের বাহারই খোঁজে না, তার সাথে খোঁজে সমতা বা সিমেট্রি। অতএব, পেখম মেলে ধরে যখন ময়ূর নাচে, তখন ময়ূরী দেখে নেয় পেখমের মধ্যে চোখগুলো কিভাবে ছড়ানো রয়েছে বা দুপাশের চোখের সারিগুলোর মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কিনা। এখানেই শেষ নয়, পেট্রিরা আরো দেখালেন যে সব ময়ূর পেখমের সাজে ময়ূরীদের মুগ্ধ করতে সক্ষম হয়, তাদের পেখম ছেঁটে দিলে বা তাতে নতুন পালক জুড়ে তার সমতা কমিয়ে দিলে সেই একই ময়ূর আর প্রমিলা মহলে পাত্তা পায় না বিশেষ। এমনকি এও জানা গেল যে বেশী লম্বা পেখম যাদের, সেই ময়ূরদের প্রজনন ক্ষমতাও বেশী। শুধু তাই নয়, লম্বা পেখমওয়ালা ময়ূরদের সন্তানরা জন্মের সময় থেকেই মাপে কিছুটা বড় হয়, আর তাদের জীবনী শক্তিও হয় বেশী। সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় হল যে, ইংল্যান্ডের হুইপস্নেড পার্কে রাখা দলটির ওপরে একবার নেকড়েদের হামলা হয়, আর তাতে যে ময়ূররা মারা পড়ে, তাদের পেখম বাকিদের তুলনায় কম বাহারী ছিলো। পেট্রিদের কাজ থেকে প্রথমবার প্রমাণ হল যে ময়ূরীরা পেখমের বাহার দেখেই সঙ্গী নির্বাচন করে এবং সেই নির্বাচিত ময়ূররা বাকিদের তুলনায় বেশী সুস্থ ও প্রজননে বেশী সক্ষম।

ডারউইনের সেক্সুয়াল সিলেকশন-এর তত্ত্ব তৈরী হয়েছিল তাঁর পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে। তিনি বলেছিলেন যে সব প্রজাতির মধ্যে প্রজনন নির্ভর করে নারীদের নির্বাচন স্বাধীনতার ওপর, সেই সব প্রজাতিতে বাহারী পুরুষ দেখতে পাওয়া যুক্তিযুক্ত। কেন বেঁচে থাকার পথে যা প্রতিবন্ধক, এমন গঠনকেও টিকিয়ে রাখে ন্যাচারাল সিলেকশন, তার সপক্ষে জাহাভি দাঁড় করিয়েছিলেন তাঁর হ্যান্ডিক্যাপ প্রিন্সিপল-কে। কিন্তু এসবই তত্ত্ব, আর যে কোনো তত্ত্বই প্রমাণ সাপেক্ষ। সেই প্রমাণ এসেছে পেট্রিদের কাজের মাধ্যমে। পেট্রি অবশ্য এখানেই ময়ূর নিয়ে গবেষণা থামিয়ে দেন নি। আরো নানারকম পরীক্ষা চালিয়ে গেছেন জীবজগতের নানান রহস্য উদ্ঘাটনের প্রচেষ্টায়।

আমার কথাটি ফুরিয়েও ফুরোয়নি এখনও। একটা দুঃখের কথা এখানে না বলে পারছি না। আমাদের জাতীয় পাখিটি বহু বছর ধরেই বৈজ্ঞানিক বিতর্কের বিষয় ছিল। গত তিন দশকে ময়ূর হ্যান্ডিক্যাপ প্রিন্সিপল-এর প্রতীক হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই বিষয়ে কোনো বই এমন হয় না যাতে ময়ূরের ছবি নেই। কিন্তু ময়ূরকে নিয়ে গবেষণা তো দূরের কথা, আমাদের দেশের কোনো বৈজ্ঞানিক কোনদিন ভাবেন নি যে এই পাখিটিকে দিয়ে খুব সহজেই হ্যান্ডিক্যাপ প্রিন্সিপলকে যাচাই করা যায়। সেই কাজ হল অবশেষে ইংল্যান্ডে, ভারতীয় ময়ূরকে নিয়েই। ময়ূর নিয়ে বিতর্কের শেষ হয়নি মারিয়ন পেট্রি-র কাজ দিয়ে, বরং তৈরী হয়েছে আরো নতুন গবেষণার সুযোগ। ২০০৮-এ এনিম্যাল বিহেভিয়ার জার্নালে জাপানের এক বৈজ্ঞানিক দলের কাজ প্রকাশ হয়, যাতে তাঁরা জানান যে জাপানে রাখা ভারতীয় ময়ূরীরা মোটেও ইংল্যান্ড বাসিনীদের মতো নয়। বাহারী পেখম দিয়ে তাদের মুগ্ধ করা যায় না। বলাই বাহুল্য, এর উত্তর দিতে হয় পেট্রি-কে। তাঁর কাজে কি তাহলে কোনো ভুল ছিল? পেট্রি-র তরফ থেকে জবরদস্ত উত্তর পায় এনিম্যাল বিহেভিয়ার, তাকাহাশিদের কাজ প্রকাশিত হওয়ার চার মাসের মধ্যে, আর তার তিন মাস পরে প্রকাশিত হয় সেই জবাব। ময়ূরীরা ভুল করেনি, ভুল করেছেন তাকাহাশিরাই, গবেষণার পদ্ধতিতেই রয়েছে অনেক গলদ। ২০১১-তে দুই পক্ষের সওয়াল-জবাবকে কেন্দ্র করে আরো একটি কাজ প্রকাশিত হয় সেই এনিম্যাল বিহেভিয়ারে, এবারের গবেষণার কেন্দ্র কানাডার এন.আর.আই. ময়ূর- ময়ূরীরা। এই নিয়ে আরো বিতর্ক চলবে, কিন্তু ১৯৯১-এর পরে ভারতের জীববিজ্ঞান সমাজের হেঁট হয়ে যাওয়া মাথাটা আরো নীচুই হবে শুধু।

 

অনিন্দিতা ভদ্র আই. আই. এস. ই. আর., কলকাতায় বায়োলজি বিভাগে অধ্যাপিকা। পশুপাখির স্বভাবচরিত্র ও বিবর্তন নিয়ে তার গবেষণা। কুকুরের উপর তাঁর বিশেষ উৎসাহ, একেই মডেল সিস্টেম হিসেবে স্টাডি করেন। অন্যান্য জিনিসের মধ্যে, তিনি বোঝার চেষ্টা করছেন তারা মানুষের সাথে একসাথে সহবাস করতে শিখলো কি করে। গবেষণার বাইরে তিনি পড়াতে খুব ভালোবাসেন। এছাড়াও INYAS বলে একটি সংগঠনের সাথে যুক্ত আছেন উনি। আমাদের দেশের যুবা বৈজ্ঞানিকদের গবেষণায় এবং বিজ্ঞান প্রচারে সাহায্য করতে এই বছরই সংগঠনটি তৈরী হয়েছে। এর সম্বন্ধে আরও জানতে এখানে দেখুন।

(প্রচ্ছদের ছবির উৎস)

[১] প্রথম মুদ্রণে বইটির নাম ছিল বেশ লম্বা: The origin of species by means of Natural Selection, or The Preservation of favoured races in the struggle for life.

[২] মৌমাছিদের গল্প আরো জানতে এখানে পড়ুন – ধাঁধার থেকেও জটিল প্রাণী: ডারউইনের সমস্যা

[৩] জাপানি গবেষকদের পেপার। তাদের বক্তব্য, বেশি বাহারি পেখম মানেই ময়ূরীরা সেই ময়ূরদের পছন্দ করবে, তার কোনো প্রমাণ নেই।

[৪] জাপানি গবেষকদের কাছে পেট্রির জবাব

[৫] কানাডায় ময়ূরদের নিয়ে গবেষণা

 

সংশোধন: আগের একটি সংস্করণে বলা হয়েছিলো যে জাপানি গবেষক দলের ময়ূর সংক্রান্ত পেপার বেরোতে চলেছে। সেটা একটু পুরোনো খবর। পেপারটি বেরিয়ে গেছে এবং তার জবাব-ও এসে গেছে। এটা উপরে সংশোধন করা হয়েছে।

প্রকাশিত হল ‘বিজ্ঞান’-এর বাছাই সংকলন ‘বিজ্ঞান পত্রিকা’

প্রথম সংখ্যা (সেপ্টেম্বর ২০১৫)

ডাউনলোড করুন (PDF, 9.1 MB)

image_print
(Visited 1,664 times, 1 visits today)

Tags: , , , , , , , ,